আসুন আমরা 
             সচেতন হই;

    “করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় লকডাউন কোন সমাধান নয়, বরং অর্থনীতি ধ্বংসের কারণ” সে সম্পর্কে বহু রিসার্চ ইতিমধ্যে হয়ে হয়েছে। 

    জেপি মরগান তার একটি গবেষণায় গত মে মাসেই বলেছিলো,  করোনা ভাইরাসের উপর লকডাউনের কোন প্রভাব নেই, বরং এর দ্বারা মিলিয়ন লোকের কর্মসংস্থান ধ্বংস হয়।
(https://www.thesun.co.uk/news/11687699/)

      আরেকটি রিপোর্টে দেখা যায়,
আমেরিকার দুটি অঙ্গরাজ্য - একটি নিউইয়র্ক, অন্যটি ফ্লোরিডা।

    দুটি স্টেটেই একই দিনে করোনা ধরা পড়েছে, ১লা মার্চ, ২০২০ তারিখে।
দুটোর জনসংখ্যাও প্রায় সমান, নিউইয়র্কের ২ কোটি, ফ্লোরিডার ২ কোটি ২০ লক্ষ।
নিউইয়র্ক করোনার জন্য আগেভাবেই সব বন্ধ করছে।

      কিন্তু ফ্লোরিডা করছে তার দুই সপ্তাহ পর।
যদিও ফ্লোরিডার সব বন্ধ করা নিউইয়র্কের মত এত কড়াকড়ি ছিলো না।
ফ্লোরিডা চার্চ, সিনাগগ বা কিছু বীচও খোলা ছিলো।

    এর জন্য অবশ্য ফ্লোরিডার গভর্নরকে অনেক সমালোচনাও শুনতে হয়েছে।
কিন্তু দিন শেষে হিসেব করে দেখা গেলো-
নিউইয়র্কে মৃতের সংখ্যা ২২ হাজার, সেখানে ফ্লোরিডায় মাত্র ১১শ’।
অর্থাৎ নিউইয়র্কে মৃতের সংখ্যা ফ্লোরিডার তুলনায় ২০ গুন বেশি।
(https://fxn.ws/2KKHU30)]

     বরং লকডাউনের কারণে যারা বাসায় ছিলো, তারাই বেশি করোনায় আক্রান্ত হচ্ছে এমনটাও নিউইয়র্কের গবেষণায় বের হয়ে এসেছে। (https://cnb.cx/35DV9w1)

     আপনাদের মনে থাকার কথা। গত বছর রাজধানীর রাজাবাজারে পরীক্ষামূলক লকডাউন দেয়া হয়েছিলো।
লকডাউন দেয়ার পর সেখানে করোনা সংক্রমন আরো বেড়ে গিয়েছিলো। (https://bit.ly/2NdZbTd)

      এজন্য "করোনা প্রতিরোধে লকডাউনের পদক্ষেপকে ‘বিশাল ভুল’ বলে মন্তব্য করেছিলো স্টানফোর্ড ইউনিভার্সিটির প্রফেসর ও রসায়নে নোবেলজয়ী বিজ্ঞানী মাইকেল লেভিট।  (https://bit.ly/3fNArO0)

     বাংলাদেশ সরকার কেন নতুন করে সে ভুল করতে যাচ্ছে সেটা মাথায় আসছে না।

   কোটি মানুষের জীবন-জীবিকা ধ্বংস করে এমন সিদ্ধান্ত কখনই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।
--------------------------------- 
লেখকঃ প্রবন্ধ লেখক, কলামিস্ট ও অনলাইন এক্টিভিস্ট।