Recent Tube

জামায়াতের সাথে চরমোনায়ের ইখতিলাফ আমলি নয়, আকিদাগত' - শায়েখ চরমোনায়ের এ বক্তব্য ১০০% সত্যঃ; মুহাম্মদ তানজিল ইসলাম।




জামায়াতের সাথে চরমোনায়ের ইখতিলাফ আমলি নয়, আকিদাগত' - শায়েখ চরমোনায়ের এ বক্তব্য ১০০% সত্যঃ;
-------------------------------------

  শায়েখ চরমোনাই বলেছেন, "জামায়াতের সাথে আমাদের ইখতিলাফ আমলিয়াত নয়, আকিদাগত।" এ বক্তব্যের সাথে আমি ১০০% একমত। আমি চ্যালেঞ্জ করছি, তার এ কথাটুকু কেউ খণ্ডন করতে পারবে না। কারণ চরমোনায়ের সাথে জামায়াতের আকিদা এক জায়গায় নয়, অসংখ্য জায়গায় গড়মিল। অর্থাৎ চরমোনায়ের আকিদা ভেদে মারেফাত বা ইয়াদে খোদা, আশুক মাশুক বা এস্কে এলাহী কিতাব ভিত্তিক পক্ষান্তরে জামায়াতের আকিদা কুরআন সুন্নাহ ভিত্তিক। কুরআন সুন্নাহ পরিপন্থী সকল আকিদাকে জামায়াত ভ্রান্ত ও কুফুরী আকিদা বলে বিশ্বাস করে। আসুন, চরমোনায়ের কতিপয় কুফুরী আকিদা তাদের রচিত কিতাব থেকে দলিলসহ দেখে নেই, যা জামায়াতের আকিদার পরিপন্থী। 

 ১. শায়েখ চরমোনায়ের আকিদা হল- চরমোনাই পীর নিজেই আল্লাহ (?)। (নাউযুবিল্লাহ) এ বিষয়ে পীর সাব নিজেই বলেন, ”ওগো আমার মাশুক মাওলা (আল্লাহ)! আপনি আপনার কুদরতি নজরে আমার দিকে চাহিয়া দেখুন, আমি এখন আমি নাই, আমি আপনি (অর্থাৎ আল্লাহ) হইয়াছি, আর আপনি আমি হইয়াছেন; আমি হইয়াছি তন, আপনি হয়াছেন জান”। (নাউজুবিল্লাহ) (সৈয়দ মোহাম্মাদ এছহাক এর রচনাবলী; আল-এছহাক পাবলিকেশন্স; বাংলাবাজার প্রকাশকাল ফেব্রুয়ারি ২০০৭; আশেক মাশুক পৃষ্ঠা নঃ ৪১),
আল্লাহ তা'য়ালা বলেন,
وَمَنْ أَظْلَمُ مِمَّنِ افْتَرَىٰ عَلَى اللَّهِ كَذِبًا أَوْ كَذَّبَ بِآيَاتِهِ-
আর তার চেয়ে বড় যালিম আর কে যে আল্লাহর উপর মিথ্যা রটনা করে অথবা তার আয়াতসমূহকে অস্বীকার করে? (সূরা আনআম: ৬/২১) 

২. স্ত্রীর সাথে যেভাবে যৌন উত্তেজনা সহকারে মিলন দেওয়া হয় চরমোনাই নাকি সেভাবে আল্লাহর সাথে মিলিত হয় (?)। (নাউযুবিল্লাহ) চরমোনায়ের ভাষায় -”বন্ধুগন! নিজের স্ত্রীর সঙ্গে মিলিবার সময় যদি (যৌন) উত্তেজনার সৃষ্টি হইতে পারে, তবে মাবুদের সঙ্গে রুহ মিলিতে কেন উত্তেজনার সৃষ্টি হইবে না?” (ইন্না লিল্লাহে ওয়া ইন্না ইলাইহে রাজেউন) (সৈয়দ মোহাম্মাদ এছহাক এর রচনাবলী; আল-এছহাক পাবলিকেশন্স; বাংলাবাজার; প্রকাশকাল ফেব্রুয়ারি ২০০৭;ভেদে মারেফত পৃষ্ঠা নঃ ৬৯)
আল্লাহ তা'য়ালা বলেন,
مَا لَهُمْ بِهِ مِنْ عِلْمٍ وَلَا لِآبَائِهِمْ ۚ كَبُرَتْ كَلِمَةً تَخْرُجُ مِنْ أَفْوَاهِهِمْ ۚ إِنْ يَقُولُونَ إِلَّا كَذِبًا.
এ ব্যাপারে তাদের কোন জ্ঞান নেই এবং তাদের পিতৃপুরুষদেরও না। বড় মারাত্মক কথা, যা তাদের মুখ থেকে বের হয়। মিথ্যা ছাড়া তারা কিছুই বলে না! (সূরা কাহ্ফঃ১৮/৫)

৩. পীর সাব বিধানদাতা। তাই পীরের আদেশ পাইলে হারাম ও পাপের কাজও করতে হবে (?)। (নাউযুবিল্লাহ) চরমনাই পীর বলেন, "কামেল পীরের আদেশ পাইলে, নাপাক শারাব (মদ) দ্বারাও জায়নামাজ রঙ্গিন করিয়া তাহাতে নামাজ পড়’’ (সৈয়দ মোহাম্মাদ এছহাক এর রচনাবলী; আল-এছহাক পাবলিকেশন্স; বাংলাবাজার প্রকাশকাল ফেব্রুয়ারি ২০০৭; আশেক মা’শুক বা এস্কে এলাহী; পৃষ্ঠা নঃ ৩৫) 
কুরআনে বর্ণিত হয়েছে,
ﻣَﺎ ﻟَﻬُﻢْ ﻣِﻦْ ﺩُﻭﻧِﻪِ ﻣِﻦْ ﻭَﻟِﻲٍّ ﻭَﻟَﺎ ﻳُﺸْﺮِﻙُ ﻓِﻲ ﺣُﻜْﻤِﻪِ ﺃَﺣَﺪًﺍ
তিনি (আল্লাহ) ছাড়া তাদের কোন অভিভাবক (বিধানদাতা) নেই। তাঁর আইনে তিনি কাউকে শরীক করেন না। (সূরা কাহফঃ১৮/২৬)

৪. আল্লাহর নাকি আন্দাজ নাই। (নাউযুবিল্লাহ)! চোরমনায়ের ভাষায়,
"মা'বুদের কাছে আবার কি জিজ্ঞাসা করব? তাঁহার আন্দাজ নাই।" (সৈয়দ মোহাম্মাদ এছহাক এর রচনাবলী; আল-এছহাক পাবলিকেশন্স; বাংলাবাজার; প্রকাশকাল ফেব্রুয়ারি ২০০৭; ভেদে মারেফত পৃষ্ঠা-১৫)
আল্লাহ তা'য়ালা বলেন, 
سُبْحَانَ رَبِّكَ رَبِّ الْعِزَّةِ عَمَّا يَصِفُونَ.
তারা যা ব্যক্ত করে তোমার রব তা থেকে পবিত্র মহান, সম্মানের মালিক। (সূরা সাফফাতঃ ৩৭/১৮০)
إِنَّا كُلَّ شَيْءٍ خَلَقْنَاهُ بِقَدَرٍ-
নিশ্চয় আমি সব কিছু সৃষ্টি করেছি নির্ধারিত পরিমাণ অনুযায়ী (অান্দাজ ছাড়া নয়)। (সূরা কামার: ৫৪/৪৯)

৫. চোরমনাই আকিদা হল, তাদের পীর তার হুকুমে মৃত ব্যক্তিকে জীবিত করতে পারে। (নাউযুবিল্লাহ) পীর সাপ বলেন,
"হে (মৃত্য) ছেলে তুমি আমার আদেশে জীবিত হইয়া যাও।" (সৈয়দ মোহাম্মাদ এছহাক এর রচনাবলী; আল-এছহাক পাবলিকেশন্স; বাংলাবাজার; প্রকাশকাল ফেব্রুয়ারি ২০০৭; ভেদে মারেফত পৃষ্ঠা-১৫)
অথচ আল্লাহ শেখাচ্ছেন, 
تُولِجُ اللَّيْلَ فِي النَّهَارِ وَتُولِجُ النَّهَارَ فِي اللَّيْلِ ۖ وَتُخْرِجُ الْحَيَّ مِنَ الْمَيِّتِ وَتُخْرِجُ الْمَيِّتَ مِنَ الْحَيِّ ۖ وَتَرْزُقُ مَنْ تَشَاءُ بِغَيْرِ حِسَابٍ.
(বল, হে আল্লাহ!) আপনি রাতকে দিনের মধ্যে প্রবেশ করান এবং দিনকে রাতের মধ্যে প্রবেশ করান। আর মৃত থেকে জীবিতকে বের করেন এবং জীবিত থেকে মৃতকে বের করেন। আর যাকে চান বিনা হিসাবে রিয্ক দান করেন’। (সূরা আলি ইমরান : ৩/২৭)

৬. চোরমনাই পীরেরা নাকি আল্লাহর চেয়েও বেশি শক্তিশালী। তাই তাদের পীর জোরপূর্বক রুহ ছিনতাই করতে পারে। (নাউযুবিল্লাহ)! এ বিষয়ে পীর সাপ বলেন, 
"আমি আল্লাহ পাকের দরবার থেকে জোরপূর্বক রুহ নিয়ে আসিয়াছি।" (সৈয়দ মোহাম্মাদ এছহাক এর রচনাবলী; আল-এছহাক পাবলিকেশন্স; বাংলাবাজার; প্রকাশকাল ফেব্রুয়ারি ২০০৭; ভেদে মারেফত পৃষ্ঠা-১৫) এ হলো- দুনিয়ার ক্ষমতা। আর আখিরাতে সীমাহীন ক্ষমতার মালিক হবে তাদের পীরগণ। অর্থাৎ পরকালে পীর ও ওলীদের ক্ষমতার সীমা থাকিবে না। (নাউযুবিল্লাহ)! (আশেক মাশুক পৃষ্ঠা-৮১)
জামায়াতের আকিদা বিশ্বাস হল-
ﻭَﻣَﺎ ﻛَﺎﻥَ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻟِﻴُﻌْﺠِﺰَﻩُ ﻣِﻦْ ﺷَﻲْﺀٍ ﻓِﻲ ﺍﻟﺴَّﻤَﺎﻭَﺍﺕِ ﻭَﻟَﺎ ﻓِﻲ ﺍﻟْﺄَﺭْﺽِ ۚ ﺇِﻧَّﻪُ ﻛَﺎﻥَ ﻋَﻠِﻴﻤًﺎ ﻗَﺪِﻳﺮًﺍ.
আল্লাহ তো এমন নন যে, আসমান ও
জমিনের কোন কিছু তাকে অক্ষম বা পরাজিত করে দেবে। নিশ্চয় তিনি সর্বজ্ঞ, সর্বশক্তিমান। (সূরা ফাতিরঃ৩৫/৪৪)

৮. চোরমনাই আকিদা পন্থী মারেফতের পীর ও ওলীদের মর্যাদা নবীদের চেয়েও বেশী। (নাউযুবিল্লাহ)! (আশেক মাশুক পৃষ্ঠা, ৮৮-৯০)
মহান আল্লাহর বলেন,
ﻟَّﺎ ﺗَﺠْﻌَﻠُﻮﺍ۟ ﺩُﻋَﺎٓﺀَ ﭐﻟﺮَّﺳُﻮﻝِ ﺑَﻴْﻨَﻜُﻢْ ﻛَﺪُﻋَﺎٓﺀِ ﺑَﻌْﻀِﻜُﻢ ﺑَﻌْﻀًﺎۚ ﻗَﺪْ ﻳَﻌْﻠَﻢُ ﭐﻟﻠَّﻪُ ﭐﻟَّﺬِﻳﻦَ ﻳَﺘَﺴَﻠَّﻠُﻮﻥَ ﻣِﻨﻜُﻢْ ﻟِﻮَﺍﺫًﺍۚ ﻓَﻠْﻴَﺤْﺬَﺭِ ﭐﻟَّﺬِﻳﻦَ ﻳُﺨَﺎﻟِﻔُﻮﻥَ ﻋَﻦْ ﺃَﻣْﺮِﻩِۦٓ ﺃَﻥ ﺗُﺼِﻴﺒَﻬُﻢْ ﻓِﺘْﻨَﺔٌ ﺃَﻭْ ﻳُﺼِﻴﺒَﻬُﻢْ ﻋَﺬَﺍﺏٌ ﺃَﻟِﻴﻢٌ
রাসূলের আহবানকে তোমরা একে অপরের প্রতি আহবানের মত গণ্য করনা; তোমাদের মধ্যে যারা চুপি চুপি সরে পড়ে আল্লাহ তাদেরকে জানেন। সুতরাং যারা তাঁর আদেশের বিরুদ্ধাচরণ করে তারা সতর্ক হোক যে, বিপর্যয় তাদের উপর আপতিত হবে অথবা আপতিত হবে তাদের উপর কঠিন শাস্তি।
(সূরা নূরঃ ২৪/৬৩)

৯. চোরমনাই মার্কা পীরেরা যাকে তাকে পুলসিরাত পার করে জান্নাতে নিবেন। এমনকি তাদের পীর কাফন চোরাকেও হাত ধরিয়া পুলসিরাত পার করিয়া জান্নাতে দিবেন। (নাউযুবিল্লাহ)! (ভেদে মারেফত পৃষ্ঠা: ২৭-২৮)
এ বিষয়ে কুরআন বলছে,
أَمْ حَسِبْتُمْ أَنْ تَدْخُلُوا الْجَنَّةَ وَلَمَّا يَعْلَمِ اللَّهُ الَّذِينَ جَاهَدُوا مِنْكُمْ وَيَعْلَمَ الصَّابِرِينَ-
তোমরা কি মনে কর যে, তোমরা জান্নাতে প্রবেশ করবে? অথচ আল্লাহ এখনো জানেননি তাদেরকে যারা তোমাদের মধ্য থেকে জিহাদ করেছে এবং জানেননি ধৈর্যশীলদেরকে। (সূরা আলি ইমরান : ৩/১৪২)

১০. শরীয়ত বহির্ভুত হলেও পীরের হুকুম মানা মুরীদের জন্য বাধ্যতামূলক। (নাউযুবিল্লাহ)! (আশেক মাশুক বা এস্কে এলাহী পৃষ্ঠা-৩৫) 
মহান আল্লাহ তা'য়ালা বলেনঃ 
ﻭَﺇِﻥْ ﺃَﻃَﻌْﺘُﻤُﻮﻫُﻢْ ﺇِﻧَّﻜُﻢْ ﻟَﻤُﺸْﺮِﻛُﻮﻥَ.
যদি তোমরা তাদের (শরীয়ত বিরোধী) কথা মান্য করে চল তাহলে তোমরা অবশ্যই মুশরিক হয়ে যাবে। (সূরা আনআমঃ ৬/১২১) 

১১. পীরের কাছে মুরীদ হওয়া ফরজ। (নাউযুবিল্লাহ)! (মাওয়ায়েজে এহছাকিয়া পৃষ্ঠা-৫৫)
আল্লাহ তা'য়ালা বলেনঃ 
أَمْ لَهُمْ شُرَكَاءُ شَرَعُوا لَهُمْ مِنَ الدِّينِ مَا لَمْ يَأْذَنْ بِهِ اللَّهُ ۚ وَلَوْلَا كَلِمَةُ الْفَصْلِ لَقُضِيَ بَيْنَهُمْ ۗ وَإِنَّ الظَّالِمِينَ لَهُمْ عَذَابٌ أَلِيمٌ. 
তারা কি এমন কিছু শরীক বানিয়ে নিয়েছে, যারা তাদের জন্য দ্বীনের বিধান দিয়েছে, যার অনুমতি আল্লাহ দেননি? আর ফয়সালার ঘোষণা না থাকলে তাদের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হয়েই যেত। আর নিশ্চয় যালিমদের জন্য রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক আযাব। (সূরা শুরাঃ৪২/২১)

১২. চোরমনাই পীর কেয়ামতের দিন সকল মুরীদের গুনাহ মাফ করিয়ে দিবেন। (নাউযুবিল্লাহ)! (ভেদে মারেফত পৃষ্ঠা-৩৪) 
অর্থাৎ যাকে ইচ্ছা তাকে ক্ষমা করার ক্ষমতা পীরেরা রাখে। এটি কুরআন বিরোধী কুফুরী আকিদা, কারণ এ ক্ষমতা শুধুমাত্র আল্লাহর।
فَيَغْفِرُ لِمَنْ يَشَاءُ وَيُعَذِّبُ مَنْ يَشَاءُ ۗ وَاللَّهُ عَلَىٰ كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ-
তিনি (আল্লাহ) যাকে চান ক্ষমা করবেন, আর যাকে চান আযাব দেবেন। আর আল্লাহ সবকিছুর উপর ক্ষমতাবান। (সূরা বাকারাঃ ২/২৮৪)

১৩. যার দুই পীর আছে তাকে দুই পীরে দুই ডানা ধরে জান্নাতে নিবে। (নাউযুবিল্লাহ)! (মাওয়ায়েজে এহছাকিয়া পৃষ্ঠা-৫৫-৫৬)
এ বিষয়ে জামায়াতের পরিষ্কার আকিদা বিশ্বাস সেটাই যা কুরআনে বর্ণিত হয়েছে, 
أَمْ حَسِبْتُمْ أَنْ تَدْخُلُوا الْجَنَّةَ وَلَمَّا يَعْلَمِ اللَّهُ الَّذِينَ جَاهَدُوا مِنْكُمْ وَيَعْلَمَ الصَّابِرِينَ وَلَمَّا يَأْتِكُمْ مَثَلُ الَّذِينَ خَلَوْا مِنْ قَبْلِكُمْ ۖ مَسَّتْهُمُ الْبَأْسَاءُ وَالضَّرَّاءُ وَزُلْزِلُوا حَتَّىٰ يَقُولَ الرَّسُولُ وَالَّذِينَ آمَنُوا مَعَهُ مَتَىٰ نَصْرُ اللَّهِ ۗ أَلَا إِنَّ نَصْرَ اللَّهِ قَرِيبٌ.
তোমরা কি মনে করেছ যে, তোমরা এমনি এমনি (যেমন- পীর ধরে জাহাজে চড়ে) জান্নাতে প্রবেশ করবে? অথচ এখনো তোমাদের নিকট তাদের মত কিছু আসেনি, যারা তোমাদের পূর্বে বিগত হয়েছে। তাদেরকে স্পর্শ করেছিল কষ্ট-নির্যাতন ও দুঃখ-দুর্দশা এবং তারা (জালিমের নির্যাতনে) কম্পিত হয়েছিল। এমনকি রাসূল ও তার সাথি মুমিনগণ বলছিল, ‘কখন আল্লাহর সাহায্য আসবে’? জেনে রাখ, নিশ্চয় আল্লাহর সাহায্য নিকটবর্তী। (সূরা বাকারাঃ২/২১৪)

১৪. পীরগণ কেয়ামতের দিবসে মুরীদগণকে সাহায্য করবে। (ভেদে মারেফত পৃষ্ঠা, ২৫-২৬ ও আশেক মাশুক পৃষ্ঠা, ৬৬-৮১)
আল্লাহ তা'আলা বলেন, 
وَاتَّقُوا يَوْمًا لَا تَجْزِي نَفْسٌ عَنْ نَفْسٍ شَيْئًا وَلَا يُقْبَلُ مِنْهَا شَفَاعَةٌ وَلَا يُؤْخَذُ مِنْهَا عَدْلٌ وَلَا هُمْ يُنْصَرُونَ.
আর তোমরা সে দিনকে ভয় কর, যেদিন কেউ কারো কোন কাজে আসবে না। আর কারো পক্ষ থেকে কোন সুপারিশ গ্রহণ করা হবে না এবং কারও কাছ থেকে কোন বিনিময় নেয়া হবে না। আর তারা সাহায্যপ্রাপ্তও হবে না। (সূরা বাকারাঃ ২/৪৮) 
তবে আল্লাহ তা'য়ালা যাকে অনুমতি দিবেন, তিনি সুপারিশ করতে পারবেন। (বাকারাঃ ২/২৫৫)

আপনার মনে প্রশ্ন জাগতে পারে, এত ভয়ঙ্কর কুফুরী আকিদা লালন করে কি করে
চরমনাই পীর ও তার মুরীদ মুসলিম হতে পারে? এর জবাব চরমনাই পীর থেকে জেনে নিন। তিনি নিজেই বলছেনঃ ‘’আমিতো এখন আমাকেই চিনি না, আমি যে কে তাহাই আমি জানি না, আমি কি জাতি, মুসলমান, না ইহুদী, না অগ্নিপুজক তাহাও বলিতে পারি না।" (সৈয়দ মোহাম্মাদ এছহাক এর রচনাবলী; আল-এছহাক পাবলিকেশন্স; বাংলাবাজার প্রকাশকাল ফেব্রুয়ারি ২০০৭; আশেক মা’শুক বা এস্কে এলাহী; পৃষ্ঠা নঃ ৯১)। 
যে ব্যক্তি বলে যে আমি মুসলিম নাকি ইয়াহুদি নাকি অগ্নিপুজক তা আমি জানি না সে কি করে মুসলিম হতে পারে?
 --------------------------------- 
লেখকঃ ইসলামি চিন্তাবিদ গ্রন্থপ্রনেতা আলোচক ও দাঈ। 

Post a Comment

0 Comments