এই কথাটি আমি বোধহয় ২০১০/২০১১ সালের দিকে দৈনিক নয়া দিগন্তে লিখে জানিয়েছিলাম। কারণ আমাদের সিনিয়র এক ভাই, জাহাজের ক্যাপ্টেন এবং এখন সিঙ্গাপুরে ব্যবসা করেন, উনার স্ত্রী আমাদের ভাবি একই ক্লাসে জনাব তারেক রহমান এবং শিরিন শারমিনের ক্লাসমেট ছিলেন। তখন বলেছিলাম, একটা বিশেষ মানের মেধা না থাকলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে ভর্তি হওয়া সম্ভব হতো না। তখন এরশাদের জমানা, ভার্সিটির পরিবেশ খুবই ভয়াবহ ছিল। আমার ঘনিষ্ঠ বন্ধু আসিফের ( মেরিন ইঞ্জিনিয়ার) ছোটভাই মুন্না ( বাড়ি রংপুরে) নিজের রুমেই গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যায় ১৯৮৬ সালে । তখন আমরা এক সাথে বাংলার মায়া নামক জাহাজে ক্যাডেট হিসাবে সেইল করছিলাম। কাজেই বেগম খালেদা জিয়ার সন্তান হিসাবে তারেক রহমানের জন্যে সেই পরিবেশ ছিল আরও রিস্কি, স্পর্শকাতর। নিরাপত্তার কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ে লেখাপড়া চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হয় নাই। এরপর প্রাইভেটে বিএ পরীক্ষা দিয়েছেন বলে শুনেছিলাম!
আমাদের জন্যে তখন সমস্যা ছিল, মিডিয়ার একটা অংশ আমাদেরকে বিএনপির দলকানা হিসাবে প্রচার চালাত। উদ্দেশ্য ছিল, আমরা যাই বলি না কেন, তাতেই একটা সন্দেহ ঢুকিয়ে দেওয়া বা বিভ্রান্তির সৃষ্টি করা।
সেই দলকানা বিএনপি থেকে এখন আবার গুপ্ত জামায়াতি হয়ে পড়লাম! অবাক করার বিষয় হলো, আমাদের ব্র্যান্ডিং করার নিমিত্তে রিমোট থেকে এই কাজটি করছে সেই একই শক্তি !


0 Comments